সাইদুলহক
চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া চরপাড়া ফয়জুল উলুম আশ্রাফিয়া মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে
আজ (২৯ নভেম্বর) শনিবার সকাল ৮:৩০ এ অনুষ্ঠিত সমাবেশ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব শাহ নেওয়াজ কাজল।
ফয়জুল উলুম আশরাফিয়া
মাদ্রাসার সভাপতি রাসেল মজুমদারের সভাপতিত্বে ও মাওলানা এরশাদ উল্যাহ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাজী জহিরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন পিন্টু (মেম্বার), মুফতি জহিরুল ইসলাম, আবুল কাশেম ভুঁইয়া, ফারুক হোসেন ভুঁইয়া, শোহরাব হোসেন জুয়েল, আশরাফিয়া মাদ্রাসার মহা পরিচালক মাওলানা হাফিজ উল্যাহ
সহকারি শিক্ষক, মাওলানা এরশাদ উল্যাহ, মাওলানা খালেদ সাইফুল্যা, মাওলানা ওহিদ উল্যাহ সহ মাদ্রসার শিক্ষার্থী-অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এ সময় অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দকে মাদ্রাসার পক্ষথেকে স্মারক প্রদানের মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহ নেওয়াজ কাজল বলেন,
অভিভাবক ও শিক্ষকদের আন্তরিকতায় এই প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যাচ্ছে আরো বহুদূর এগিয়ে যাবে। এখানে যারা এতিম অসহায় বাচ্চা আছে যারা সাবলম্বী তারা দুই জনকরে বাচ্চার দায়িত্ব নেন। অনেকের টাকা পয়সা আছে কিন্ত একটা সন্তান নেই। আপনারা যদি অসহায় পরিবারের সন্তান গুলোর লেখাপড়ার দায়িত্ব নেন তাহলে আর অশিক্ষিত থাকবেনা। থেমে থাকবেনা অর্থের অভাবে শিক্ষা ব্যবস্থা। তিনি আরো বলেন এই বাচ্চা গুলো যদি আপনাদের সহযোগিতায় মানুষ হয় জ্ঞান-বিজ্ঞান আখলাকে ভাল করে তাহলে এর সুনাম হবে আমাদের সমাজে, রাষ্ট্রে ও পৃথিবী জুড়ে। আমরা মনে করি মাদ্রাসার ছেলেরা শুধু ইমামতি আর মুয়াজ্জিন হয় আসলে তা নয়। রাষ্ট্রপরিচালনায় ও অনেক আলেম ওলামারা ভূমিকা রাখছে। যারা সন্তানদের মাদ্রাসায় দিয়েছেন তারা মন খারাপ করবেন না, আপনার সন্তান হবে মিজানুর রহমান আজহারির মত আলেম, ডাক্তার হবে, ইঞ্জিনিয়ার হবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত প্রতিষ্ঠান থেকে ডাক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করবে ইনশাআল্লাহ, শুধু মাত্র আপনাদের তাদের পড়ালেখা ও তাদের জীবনের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে। মাদ্রাসায় বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫০জনের। ১০জন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষক দিয়ে তাদের গড়ে তোলা হচ্ছে। এখানে হাফেজ শিক্ষক রয়েছে। তবে জায়গা সংকটের কারনে ভাল নাজেরা পড়া বাচ্চাদের হিফজ করানো যাচ্ছেনা। এই সমস্যা সমাধানে সকলকে এগিয়ে আশার আহবান করছি।
অভিভাবক সমাবেশ শেষে মাদ্রসার কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ, ক্রেস্ট বিতরণের মাধ্যমে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :