• ঢাকা
  • শনিবার, ১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল, ২০২২
সর্বশেষ আপডেট : ১২ এপ্রিল, ২০২২
Designed by Nagorikit.com

প্রতিদিন ৩ শত রোজাদারের মাঝে বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ করেন সুকর্মা ফাউন্ডেশন

কুমিল্লা জার্নাল

 

হোসাইন মোহাম্মদ দিদার, ঢাকা থেকে ফিরে :

রাজধানী ঢাকায় গড়ে ওঠা আর্তমানবিক সংগঠন মানবতার সেবায় এগিয়ে যাচ্ছেন “সুকর্মা ফাউন্ডেশন” করোনাকালীন সময়ের প্রথম প্রহর থেকে ঘরে ঘরে গিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করে বাঁচিয়েছেন হাজার মানুষের প্রাণ। এর ধারাবাহিকতায় সুকর্মা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর উদ্যোগে প্রতিদিন ঢাকা ও পাবনায় ৩ শত রোজাদার ব্যক্তিকে ইফতার করিয়ে আসছেন।

জানা যায়, সুকর্মা ফাউন্ডেশনের ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিদিন ৩ শতাধিক রোজাদারের জন্য তৈরি করা হয় ইফতার।

রোজায় প্রতিদিন রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার রাস্তায় রোজাদারদের জন্য অপেক্ষা করেন সুকর্মা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর ফাউন্ডার শেখ সুহানা ও তার টিম। সড়কে চলাচলরত বিভিন্ন গাড়িচালক ও যাত্রীদের গাড়ি থামিয়ে বিলিয়ে দেন ইফতার। প্রতিদিন এখানেই বিতরণ হয় প্রায় দুই শতাধিক প্যাকেট ইফতার। বাকি ইফতারের প্যাকেটগুলো বিতরণ হয় বিভিন্ন মসজিদ, এতিমখানা, এলাকার অসহায়দের মধ্যে।

সুকর্মা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর ফাউন্ডার শেখ সুহানা জানান, “প্রথম রোজা থেকে শুরু হয়ে ইফতারের এ আয়োজন প্রতিবছরের ন্যায় শেষ রোজা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

ইফতারে পূর্ব মুহূর্তে গিয়ে দেখা যায়, বিকেল থেকেই রাজধানীর মোহাম্মদপুর ফ্লাইওভারের পূর্ব অংশের সড়কে ইফতারের থলে নিয়ে রোজাদারদের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন সুকর্মা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর টিম। বিভিন্ন গাড়ির চালক ও পথচারী ও যাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে নানা পদের ইফতারের প্যাকেট ও পানির বোতল। এছাড়াও পাবনায় সুকর্মা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তৈরি করা হয় আরও শতেক রোজাদারের জন্য ইফতার।

এতিম, গরিব, মসজিদ ও অসহায়দের মধ্যে বিতরণ করা হয় এসব ইফতার প্যাকেট। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুকর্মা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর ফাউন্ডার শেখ সুহানা আরও জানান, “রোজাদারদের ইফতার করানো সওয়াবের কাজ। সেই চিন্তা থেকেই সুকর্মা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই ক্ষুদ্র আয়োজন।

তিনি বলেন, সমাজের সব বিত্তবানরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসেন তাহলে কোন রোজাদার ইফতারের সময় অভুক্ত থাকবে না”।

রিক্সা পরিবহনের যাত্রীরা বলেন,” এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। যাত্রা অবস্থায় থাকা মানুষগুলো ইফতার নিয়ে অনেক সমস্যায় পড়েন। সুকর্মা ফাউন্ডেশনের এমন উদ্যোগের কারণে সেসব মানুষগুলো যথাসময়ে ইফতার করতে পারছেন।

 

আরও পড়ুন