• ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
সর্বশেষ আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
Designed by Nagorikit.com

বুড়িচংয়ে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় ফেইসবুকে অপ্রচার

কুমিল্লা জার্নাল

রুবেল মজুমদার ।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের উত্তর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ে বাধা দেওয়ার মোঃআসলাম (৫৮) ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ফেইসবুকে অপ্রচারে অভিযোগ করেন টিটু নামেট এক মাদক ব্যবয়ায়ী বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার(১৫ জানুয়ারি) সকালে নগরীর নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন এ অবঃপ্রাপ্ত পুলিশ

তিনি বলেন,মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ার একই এলাকায় মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে
ওরফে খুনি আমিনুল ইসলাম পক্কু’র ছোট হাসান ফারুক টিটু (৩৫)। তালাশ নামে একটি ফেইসবুক পেইজে পূর্বে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ার জের ধরে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মচারী’র দুদু মিয়া’র ছেলে মোঃ আসলাম (৫৮) এর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করেন।
তিনি জানান, গত রবিবার (১৩ই ফেব্রুয়ারি) বুড়িচং থানাধীন তালাশ ফেইসবুকের মাধ্যমে আমার নামে মিথ্যা ও অপপ্রচার করে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এ ঘটনায় যাদের নাম বলিয়াছিল, তারা সকলেই উপস্থিত হইয়া ঘটনা মিথ্যা ও বানোয়াট বলিয়া গণমাধ্যম কর্মীদেরকে জানান। তালাশ ফেইসবুকে যাদের থেকে টাকা আত্নসাতের অপবাদ দিয়েছে তাদের নাম- মোঃ আব্দুল জব্বার, অহিদ মিয়া, শাসছুল হক ও হুমায়ুন কবির।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে যাদের কাছ থেকে টাকা আত্নসাতের কথা বলা হয়েছে তারা মোঃ আব্দুল জব্বার, অহিদ মিয়া, শাসছুল হক ও হুমায়ুন কবির বলেন, এ ঘটনায় মোঃ আসলাম আমাদের থেকে কোন সময় কোন টাকা নেয় নাই। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমরা তার তীব্রনিন্দা জানাই ও মাদক ব্যবসায়ী টিটু’র বিচার কামনা করি।
তিনি আরো বলেন, উত্তর গ্রামে টিটু’র নেতৃত্বে একটি মাদক চক্র প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি-ধমকি প্রদান করেন। এতে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি মাননীয় এমপি মহোদয় বীরমুক্তিযোদ্ধা এড. আবুল হাশেম খান ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কাছে টিটু’র বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
উল্লেখ্য, আমার নামে ছুলেমূলে এবং বিএসমূলে আমার নামে ৩৩শতক ভূমির এক কোণে ২শতক ভুমি এবং আরো আড়াই শতক ভূমি আমার অন্য দাগ থেকে নিয়ে মোট সাড়ে ৪শতক ভূমির উপর আমি একটি মিনি পুকুর খনন করি বিগত ৩ বৎসর পূর্বে। খনন করার সময় কোন পক্ষ এই জায়গার উপর কেউ পাওনা আছে বলিয়া দাবি করে নাই এবং কোন প্রশাসনের মাধ্যমেও আমাকে বাধা দেয় নাই।কিন্তু সম্প্রতি জলিল গংরা জোরপূর্বক ভাবে আমার পুকুরে একটি অংক কেটে পেলে।এতে আমি আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে ১৪৫ ধারা মামলা দায়ের করি। যাহা বর্তমানে মামলাটি আদালতে এখনো চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন

  • বৃহত্তর কুমিল্লা এর আরও খবর