• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৫ জুন, ২০২২
সর্বশেষ আপডেট : ১৫ জুন, ২০২২
Designed by Nagorikit.com

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কুসিক মেয়র নৌকার রিফাত

কুমিল্লা জার্নাল

 

জাহিদ হাসান নাইমঃ

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে জয় পেয়েছেন আরফানুল হক রিফাত। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি নির্বাচন করেছেন নৌকা প্রতীক নিয়ে। নির্বাচনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী গত দুই বারের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু।

 

রিটার্নিং অফিসার শাহেদুন্নবী চৌধুরী ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, মোট ১০৫টি কেন্দ্রে আরফানুল হক রিফাত পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩১০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুল হক সাক্কু ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট পেয়েছেন। দুই প্রার্থীর মাঝে পার্থক্য ৩৪৩ ভোট। আজ বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে এই বেসরকারি ফল ঘোষণা করা হয়।

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের এটি তৃতীয় নির্বাচন। আজ বুধবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কুসিক নির্বাচনে এবারই প্রথম ইভিএমে ভোট হলো। ভোট শুরুর এক ঘণ্টার মাথায় বৃষ্টি শুরু হয়। এতে সমস্যায় পড়েন ভোটাররা। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ভোট কেন্দ্রে আসতে থাকেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে ভোটারের উপস্থিতি।

এই নির্বাচনে ভোটগ্রহণে ইভিএমে ধীরগতি দেখা গেছে। অনেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ভোট দিয়েছেন। কেউ কেউ ভোট না দিয়েই ফিরে গেছেন। এই ধীরগতির কারণে ভোট শেষ হওয়ার পূর্বঘোষিত সময়সীমা বিকেল ৪টার পরও ভোটগ্রহণ করা হয়। এছাড়া কোনো কোনো ভোটার তাদের আঙুলের ছাপ ইভিএমে মেলেনি বলে অভিযোগ করেছেন।

সমকালের বিশেষ প্রতিনিধি অমিতোষ পাল, রিপোর্টার যাকারিয়া ইবনে ইউসুফ ও সমকালের কুমিল্লা প্রতিনিধি কামাল উদ্দিন নির্বাচনী এলাকায় সারাদিন ছিলেন। তারা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে ঘুরে ঘুরে দেখেছেন। তারা জানান, ভোট শেষ হওয়ার পূর্বনির্ধারিত সময় বিকেল ৪টায়ও যারা ভোট দিতে কেন্দ্রে অপেক্ষমাণ ছিলেন, বিকেল চারটার পর শুধু তাদের ভোটই নেওয়া হয়েছে। নতুন করে কাউকে ভোট দিতে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ব্যাপক প্রস্তুতির কথা আগেই জানিয়েছিল প্রশাসন। নির্বাচনে ১০৫ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ৭৫টি তল্লাশিচৌকি, ১০৫টি মোবাইল টিম, ১২ প্লাটুন বিজিবি, র‍্যাবের ৩০টি টিম, ৫২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেছেন। পুলিশের ৩ হাজার ৬০৮ জন সদস্য নির্বাচনের মাঠে দায়িত্ব পালন করেন।

নির্বাচনে ইভিএমে কোনো ধরনের যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে মেরামতের জন্য ছিলেন ৩৫ জন। ১০৫টি ভোটকেন্দ্রের সারিতে একটি করে সিসিটিভি ক্যামেরা দেওয়া হয়। প্রতি বুথে (কক্ষে) একটি করে মোট ৬৪০টি সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। ভোটকক্ষের ভেতরে কোনো এজেন্ট কোনো ভোটারকে তার পছন্দের প্রতীকে ভোটদানে প্রভাবিত করলে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন

  • কুমিল্লা এর আরও খবর