নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামারি ট্রায়াল কোর্ট পরিচালনা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, কুমিল্লার বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়ের নির্দেশে এ কার্যক্রম চালু করা হয়।
এর অংশ হিসেবে বুধবার আদালত প্রাঙ্গণে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুমিনুল হক এর উপস্থিতিতে সামারি ট্রায়াল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে আদালত প্রাঙ্গণে অবৈধ হকার উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ হকার মো. নয়নকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া আদালত এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত পার্কিংয়ের কারণে তিনটি অটোরিকশা আটক করা হয় এবং চালকদের মুচলেকার ভিত্তিতে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে কোতোয়ালি এলাকায় আটককৃত তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা হলে তারা দোষ স্বীকার করেন। এ প্রেক্ষিতে আদালত প্রত্যেককে ৭ দিন করে কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আদালতের প্রধান গেইট ও আশপাশের এলাকায় বিচারপ্রার্থীদের লক্ষ্য করে পকেটমার ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় কিছু চিহ্নিত বখাটেরা এসব অপরাধে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তারা বিয়ে করতে আসা তরুন তরুনীদের আটক করে চাঁদাবাজি করে।
এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে এখন থেকে নিয়মিত সামারি ট্রায়াল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :