• ঢাকা
  • শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ১০ জুলাই, ২০২৬
Designed by Nagorikit.com

মনোহরগঞ্জে অবৈধ দখলে আলোকদিয়ার সরকারি খাল: নাথেরপেটুয়া বাজারে তীব্র জলাবদ্ধতা, পুনঃখননের দাবি

কুমিল্লা জার্নাল
[sharethis-inline-buttons]

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঐতিহ্যবাহী নাথেরপেটুয়া বাজার ও সংলগ্ন এলাকার কৃষি জমি এখন তীব্র জলাবদ্ধতার কবলে। স্থানীয় আলোকদিয়া গ্রামের একমাত্র সরকারি খালটি ভূমিদস্যুদের অবৈধ দখলে চলে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশনের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

এর ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই বাজারে কৃত্রিম বন্যা সৃষ্টি হচ্ছে। দুর্ভোগ থেকে বাঁচতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন প্রকল্পের আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালটি উদ্ধার ও পুনঃখননের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ এলাকাবাসী।নাথেরপেটুয়া বাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কেনাবেচা ও যাতায়াত করেন। বিশাল এই বাজারে পানি নিষ্কাশনের জন্য মাত্র একটি ড্রেন রয়েছে। পূর্বে এই ড্রেনের পানি পার্শ্ববর্তী আলোকদিয়া গ্রামের সরকারি খাল দিয়ে প্রবাহিত হতো। কিন্তু বর্তমানে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় বৃষ্টির পানি সরাসরি ব্যবসায়ীদের দোকানপাটে ঢুকে পড়ছে। এতে নষ্ট হচ্ছে লক্ষাধিক টাকার মালামাল। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতা ও পথচারীরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, দ্রুত এর সমাধান না হলে বাজারের সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়বে।এই খালের পানির ওপর নির্ভর করত স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থাও। কিছুদিন আগেও এই খালের পানি ব্যবহার করে আলোকদিয়া গ্রামের প্রায় ১০০ একর জমিতে ইরি-বোরো চাষ করা হতো। খালটি ভরাট ও বেদখল হয়ে যাওয়ায় এখন ফসলি জমিতেও জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে, যার ফলে ব্যাহত হচ্ছে ধান চাষ।অভিযোগ উঠেছে, কিছু ভূমি দখলদার ও স্বার্থান্বেষী মহল এই দুটি দাগের সম্পূর্ণ সরকারি জায়গা অবৈধভাবে ভরাট ও দখল করে রেখেছে।এলাকাবাসী ও নাথেরপেটুয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, এই দুর্ভোগ থেকে স্থায়ী মুক্তি পেতে হলে সরকারি খালটি দখলমুক্ত করা জরুরি। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট সরেজমিনে তদন্তপূর্বক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

একই সাথে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকারভিত্তিক ‘খাল খনন প্রকল্প’-এর আওতায় আলোকদিয়া মৌজার ৪৪৯ ও ৩৯৩ দাগের খালটি দ্রুত পুনঃখনন করে পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অত্র অঞ্চলের ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ।

[sharethis-inline-buttons]

আরও পড়ুন

  • কুমিল্লা এর আরও খবর