চবি প্রতিনিধি:চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পুরোনো ও ত্রুটিপূর্ণ বগি পরিবর্তন করে নতুনভাবে ১০ বগির একটি শাটল ট্রেন চালু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এর ফলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও নিরাপদ, আরামদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৭টায় চট্টগ্রামের বটতলী রেলস্টেশনে ট্রেনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, চাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) ইব্রাহীম হোসেন রনি এবং পরিবহন ও আবাসন সম্পাদক ইসহাক ভূঁইয়া।
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক মো. ইসহাক ভূঁইয়া বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি শাটল ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে। এর মধ্যে একটি ট্রেনের সব পুরোনো বগি পরিবর্তন করে নতুন ও সংস্কারকৃত বগি সংযোজন করা হয়েছে। পূর্বের বগিগুলোতে ফ্যান, লাইট, সিলিং ও ফ্লোরের নানা সমস্যা ছিল, যা শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নতুন বগিগুলো যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখন উন্নত পরিবেশে যাতায়াত করতে পারবেন।
চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, “চবি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন শাটল ট্রেন চালু হওয়া নিঃসন্দেহে আনন্দের বিষয়। অপর শাটল ট্রেনটির কিছু বগিও পরিবর্তন করে তুলনামূলক ভালো বগি সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”তিনি আরও বলেন, “দুটি শাটল ট্রেনে শিক্ষার্থীদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। তাই আমরা নতুন আরেকটি শাটল ট্রেন চালুর দাবি জানিয়েছি। আশা করছি, খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীদের সেই প্রত্যাশাও পূরণ হবে।
”উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের তিন মাসের মধ্যেই ক্যাম্পাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন করতে পেরেছি। দীর্ঘদিনের পুরোনো বগিগুলো পরিবর্তন করে নতুন ট্রেন চালু করা সম্ভব হয়েছে। এটি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”নতুন ট্রেন চালুর মাধ্যমে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থীর যাতায়াত আরও স্বস্তিদায়ক হবে বলে আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা।
[sharethis-inline-buttons]
আপনার মতামত লিখুন :