• ঢাকা
  • শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২২ মে, ২০২৬
Designed by Nagorikit.com

ধর্ষণকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় খোঁজা, ভুক্তভোগীর সঙ্গে নির্মম পরিহাস

কুমিল্লা জার্নাল
[sharethis-inline-buttons]

দেশে ধর্ষণসহ যেকোনও অন্যায়ে জড়িতদের নাম প্রকাশ হলে, এক শ্রেণির লোক ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় সামনে আনার চেষ্টা করেন। আমি মনে করি অপরাধী অপরাধীই। বিশেষ করে ধর্ষণের ক্ষেত্রে কারও হঠাৎ লিবিডো চেতনা জাগ্রত হবে, তখন অন্য কারও উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে- এমনটিতো কোনও দল শিখিয়ে দেয় না। আর সে দলের গঠনতন্ত্রে তো তা লেখাও থাকে না।

একটি দলে লাখ লাখ নেতাকর্মী, সেখানে কেউ অন্যায় করতেই পারে। এতে তাকে দলীয় পরিচয়ে বিবেচনা না করে অপরাধী হিসেবেই বিচার চাওয়া বা করা উচিত। কিন্তু ওই ব্যক্তির দলীয় পরিচয় টেনে এনে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা বরং ভুক্তভোগীর সঙ্গে নির্মম উপহাস ছাড়া কিছুই নয়। কারণ অতীতে দেখা গেছে কর্ষণকারীর দলীয় পরিচয় নিয়ে কাদা ছোঁড়াছুড়ি করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বিচারটাই আর হয় না। সম্প্রতি মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসার সঙ্গে যা হয়েছে, তা আইয়ামে জাহেলিয়াতের চিত্র সামনে এনে দেয়। যেখানে একটি পরিবার শোকাচ্ছন্ন, সেখানে কতিপয় দলের এক্টিভিস্টরা ধর্ষণকারীকে কেউ বলছে যুবদল, কেউ শ্রমিক লীগ আবার কেউ বলছে জামায়াত কর্মী। আমার পরিচিত অনেক ভাইকেও দেখলাম এ ধরনের অনৈতিক প্রচারণার প্রতিযোগিতা করছেন। কোনও মানুষের ন্যূনতম কমনসেন্স থাকলে এমনটি করার কথা ছিলো না। যাই হোক চোরের কাছে ধর্মের কাহিনী বলে লাভ নেই। দলকানা লোকেরা কখনও নিজ দলের লোকদের অন্যায় দেখে না।

সারাক্ষণ শুধু অন্য দলের পেছনে লেগে থাকে আঠার মতো। আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুন। আমি মনে করি অপরাধীর দলীয় পরিচয় না খুঁজে প্রকৃত বিচার করাই জরুরি।

মহসীন কবির

লেখক ও সাংবাদিক

[sharethis-inline-buttons]

আরও পড়ুন

  • আইন ও বিচার এর আরও খবর