সাইদুলহক চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :-কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের জিনিদকরা মধ্যমপাড়ায় গভীর রাতে একই বাড়ির তিন পরিবারের উপর অজ্ঞানের ঔষধ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় ।
৩০ তারিখ রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পরিবারের সকলের অবস্থা খারাপের দিকে গেলে তারা স্বাভাবিক ভাবে ঘুমিয়ে পড়ে। ৩১ আগস্ট রবিবার সকাল ৯ টায় ঘুম থেকে কেউ উঠতে পারছেনা ও মাথা ঘুরাচ্ছে মনে হলে পার্শ্ববর্তী ঘরের লোক ডাকলে দেখা যাই হোক একই অবস্থা বাকিদের ও। তাৎক্ষণিক এলাকাবাসী বুঝতে পারলে অসুস্থ ব্যক্তিদের দ্রুত চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। জরুরী চিকিৎসার ভিত্তিতে ৮জনের জ্ঞান ফিরলেও ২জনের অবস্থা আগের মতই। অসুস্থরা হলেন মোঃ- শাহজাহান (৬৫), শাহজাহানের ছেলে আব্দুস সাত্তার (৩৮) আব্দুস সাত্তারের বড় ছেলে আব্দুল্লাহ মারুফ (৮) আব্দুল্লাহ আল শুভ (৩) মোহাম্মদ সুলাইমান (৫৫) সুলাইমানের স্ত্রী রাশেদা বেগম (৪০) বড় মেয়ে ঝুমুর (২০) মেঝু মেঝু মেয়ে নুপুর (১৭) ছোট মেয়ে নিহা (৯) ছেলে সাজ্জাদ হোসাইন (১৫)।
ভুক্তভোগী ঝুমুর বলেন, আমরা প্রতিদিনের মতই রাতে পড়তে বসি ভাইকে নিয়ে। হঠাৎ আনুমানিক রাতে ১১টায় মাথা ঘুড়ালে ঘুমিয়ে পড়ি। পর দিন ভাই সবাইকে ডাকাডাকি করছে তার বাবা ঘুম থেকে উঠছেন। আমরা আতঙ্কিত হয়ে উঠলে আমরাও পড়ে যাই। আলমারির সামনে ৫০০টাকা পড়ে থাকতে দেখি। মাকে ডাকলে মাও অজ্ঞান। বড় ভাইকে বিদেশে পাঠানোর জন্য ঘরে ৪ লক্ষ টাকা ও ব্যবহৃত স্বর্ণালঙ্কার সহ সব নিয়ে যায়। পরিবারের সকলের অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত এলাকার লোকজন ডাকলে তারা আমাদের হাসপাতালে এনে ভর্তি করায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল বলেন, অজ্ঞান অবস্থায় আজ সকালে ১০জনকে।হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তাদের কারো হুঁস ছিলনা। কি হয়েছে বা কোন ঔষধ তাদের উপর প্রয়োগ হয়েছে কিনা বা খাবারে।কিছু মিশানো ছিল কিনা৷ আমরা তার সঠিক কোন তথ্য পাইনি বা ভুক্তভোগীরাও বলতে পারছেনা। আমরা তাদের উন্নত চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছি। এরমধ্যে ৮জনের জ্ঞান ফিরলেও রাশেদা বেগম ও শাহজাহানের অবস্থার কিছুটা ভাল দেখাচ্ছে তবে তারা এখনো অজ্ঞান অবস্থায় রয়েছে। আমরা আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। আরো ৪৮ঘন্টা পর্যবেক্ষণ করার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।
আপনার মতামত লিখুন :