• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৮ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ১৮ জুন, ২০২৬
Designed by Nagorikit.com

কুমিল্লা বোর্ড ৮ কলেজে নেই কোনো এইচএসসি পরীক্ষার্থী

কুমিল্লা জার্নাল
[sharethis-inline-buttons]

স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের অনুষ্ঠাতব্য এইচএসসি পরীক্ষায় ৮টি কলেজ থেকে একজন শিক্ষার্থীও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না। এর মধ্যে শিক্ষার্থী নিবন্ধন শূন্য চার কলেজ, বাকি চার প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত ৩৫ শিক্ষার্থী থাকলেও তাদের কেউ চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হতে পারেনি। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।পরীক্ষার্থী শূন্য ৮টি কলেজের মধ্যে রয়েছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাতগাঁও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, কৃষ্ণনগর আব্দুল জব্বার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, তিতাস মডেল কলেজ, উলুকান্দি কলেজ, কুমিল্লার বেগম জহুরা মহিলা কলেজ, ষাইটশালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, সিসিএন মডেল কলেজ এবং ফেনী জেলার নোবেল কলেজ।

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্র মতে, এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার ৪৬৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৯৪ হাজার ৮০২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্রী ৫৭ হাজার ১৯৬ জন এবং ছাত্র ৩৭ হাজার ৬০৬ জন। এবার ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৫৯০ জন বেশি।কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চ মাধ্যমিক) সালাহ্উদ্দিন বলেন, এ বছর বোর্ডের অধীনে ৪৬৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৯৪ হাজার ৮০২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তবে ৮টি প্রতিষ্ঠানে স্বীকৃতি থাকলেও কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না।

তিনি আরও বলেন, এবার শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা ছিল যে সকল শিক্ষার্থী মূল্যায়ন পরীক্ষায় দুই বিষয়ের অধিক ফেল করবে তারা চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। মূলত কলেজ অধ্যক্ষরা সেই নীতি অনুস্মরণ করেই বোর্ডে তালিকা পাঠিয়েছেন।কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাইটশালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শিবু চন্দ্র সরকার বলেন, ২০১২ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে কলেজ শাখা চালু রয়েছে। কিন্তু এবারই প্রথম কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না। এ বছর ১০ জন শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল, কিন্তু তারা কেউই পরীক্ষার জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। যার কারণে আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে এবার কোনো শিক্ষার্থী অনুষ্ঠাতব্য পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জামাল নাসের বলেন, অনেক ক্ষেত্রে উচ্চ বিদ্যালয়ের সঙ্গে কলেজ শাখা চালু করা হলেও তা কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। এতে আর্থিক সংকট তৈরি হয়, শিক্ষার মান কমে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। পরিকল্পিতভাবে এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করে আলাদা কলেজ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করা হলে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, যেসব কলেজ থেকে কোনো পরীক্ষার্থী অংশ নিতে পারেনি, তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা হবে। কেন এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়ন কিংবা প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ আছে কি না, সেটিও পর্যালোচনা করা হবে।

[sharethis-inline-buttons]

আরও পড়ুন

  • শিক্ষা এর আরও খবর